সকল বই

এমিলিয়ে ও সুভাষ

এমিলিয়ে ও সুভাষ

Author: কৃষ্ণা বসু
Delivery Time: 25-45 Days , Cash on Delivery Available
  • বই উপহারঃ বই উপহারঃ
    বিস্তারিত
  • বই উপহার.. বই উপহার..
    বিস্তারিত
  • কম্বো অফারঃ কম্বো অফারঃ
    বিস্তারিত
  • কম্বো অফার.. কম্বো অফার..
    বিস্তারিত
  • ফ্রি ডেলিভারিঃ ফ্রি ডেলিভারিঃ
    বিস্তারিত
Price: ৳ 700.00
+ Add to Wishlist
Publisher আনন্দ পাবলিশার্স
ISBN9789350407622
Pages124
Reading Level General Reading
Language Bangla
PrintedIndia
Format Hardbound
Category স্মৃতিকথা-স্মারকগ্রন্থ গ্রন্থ,
Return Policy

7 Days Happy Return

সুভাষচন্দ্র এবং তাঁর পত্নী এমিলিয়ের গভীর সম্পর্কের কথা নেতাজির জীবনের এক স্বল্পচেনা অধ্যায়। ভিয়েনা শহরে ১৯৩৪ সালের জুন মাসে তাঁদের প্রথম সাক্ষাৎ, ডিসেম্বর ১৯৩৭-এ অস্ট্রিয়ার বাদগাস্টাইন পাহাড়ি শহরে গোপন বিবাহ। ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩ সালে পত্নী এমিলিয়ে এবং নবজাত কন্যা অনিতাকে ইউরোপে রেখে নেতাজি পূর্ব-এশিয়াতে স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতে চলে গেলেন। এ জীবনে দু’জনের আর দেখা হল না। সুভাষ ও এমিলিয়ের যখনই সাময়িক বিচ্ছেদ ঘটত নিয়মিত পত্রালাপের মধ্য দিয়ে পরস্পর যোগাযোগ রেখে চলতেন।ভিয়েনার এক মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৯১০ সালে এমিলিয়ের জন্ম। ১৯৯৬ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি আমৃত্যু তাঁর স্বামী নেতাজি সুভাষচন্দ্রের স্মৃতি সযত্নে লালন করেছেন। ভারতের প্রতি এমিলিয়ের ছিল অবিচল ভালবাসা ও আনুগত্য। কন্যা অনিতাকে তিনি এক হাতে মানুষ করেছেন। তাঁর ছিল প্রখর আত্মসম্মানবোধ। নেতাজির সংগ্রামের সাথী এই নারী প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করতেন।নেতাজির ভ্রাতুস্পুত্র শিশিরকুমার বসুর প্রতি এমিলিয়ে ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীল। ১৯৫৫ সালে শিশিরের বিবাহের পর তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণা বসু এমিলিয়ের একান্ত স্নেহধন্য ও ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন। কৃষ্ণা দীর্ঘকাল এমিলিয়েকে ব্যক্তিগতভাবে চেনার ও জানার সুযোগ পেয়েছেন।এই বইতে লেখিকা এক সংগ্রামী নারীর নীরব আত্মত্যাগের কথা লিখেছেন, আর তুলে ধরেছেন এক মহান বিপ্লবী ও এক বিদেশিনীর অনন্য প্রেমকথা।

Authors:
কৃষ্ণা বসু

কৃষ্ণা বসু ছিলেন এক বহুমুখী প্রতিভা, বাংলা ও ভারতের জনজীবনে এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। জন্ম ২৬ ডিসেম্বর ১৯৩০, ঢাকায়। পিতা চারুচন্দ্র চৌধুরী ছিলেন সুপণ্ডিত, মাতা ছায়াদেবী চৌধুরাণী। ডিসেম্বর ১৯৫৫ থেকে বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী ও প্রখ্যাত শিশু-চিকিৎসক শিশিরকুমার বসুর সহধর্মিণী।

কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর হওয়ার পর চল্লিশ বছর কলকাতার সিটি কলেজ (সাউথ)-এ অধ্যাপনা করেন, আট বছর কলেজের অধ্যক্ষাও ছিলেন। পরবর্তীকালে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে তিনবার লোকসভায় নির্বাচিত হন। সাংসদ কৃষ্ণা বসু বাংলার রাজনীতিতে হয়ে ওঠেন জনপ্রিয়, ভারতের রাজনীতিতে সর্বজনশ্রদ্ধেয়। ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত পার্লামেন্টের পররাষ্ট্র-বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারপার্সন ছিলেন।

শিশির বসুর সঙ্গে বিবাহের কয়েক বছরের মধ্যেই কৃষ্ণা কলকাতার নেতাজি ভবনে প্রতিষ্ঠিত নেতাজি রিসার্চ ব্যুরোর কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত হন। ২০০০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শিশির বসুর প্রয়াণের পর থেকে আমৃত্যু কৃষ্ণা বসু নেতাজি রিসার্চ ব্যুরোর চেয়ারপার্সন ছিলেন। আর ছিলেন কলকাতার শিশু হাসপাতাল ইন্সটিটিউট অফ চাইল্ড হেলথ-এর প্রেসিডেন্ট, শিশির যে হাসপাতালের ডিরেক্টর ছিলেন। সুগত বসু ও সুমন্ত্র বসু তাঁর কৃতী পুত্র।

প্রয়াণ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, কলকাতায়।

0 review for এমিলিয়ে ও সুভাষ

Add a review

Your rating