মহাবিশ্ব-কৃষ্ণগহ্বর-স্টিফেন হকিং থেকে পাশের বাড়ির মেয়ে কিংবা বাসমতী চাল কেড়ে নেওয়া ‘পেটেন্টদস্যু’— শহর-শহরতলি থেকে ‘গোপাল ঘোষের আঁকা গ্রাম’– পিনাকী ঠাকুরের কবিতা বিচরণ করে বিচিত্র সব বিষয় ও পরিবেশে। ইতিহাস আর বিজ্ঞান হাত ধরাধরি করে আসে তাঁর কবিতার পঙ্ক্তিতে কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আশ্রয় করে জীবনজিজ্ঞাসাকেই৷ বুনো রামনাথ-মধুসূদন-বিদ্যাসাগর-মীর মশার্রফ তাঁর কবিতার সঙ্গে জড়িয়ে যান। উঠে আসে রবীন্দ্রসংগীতের মন কেমন করা আবহ। ভাষা-উপভাষার নানা বিচিত্র পরীক্ষা তিনি করেছেন তাঁর রচনায়। ছন্দ থেকে টানা গদ্য- কবিতার প্রয়োজনে নানা প্রকরণ ব্যবহার করেছেন; কবিতার ছন্দ আর কথ্য ভাষার স্পন্দনকে মেলাতে চেয়েছেন নয়ের দশকের এই কবি। বেশ কিছু দীর্ঘ কবিতা ইতিমধ্যেই রচনা করেছেন, দু’-একটি কাব্যনাটক ও নাট্যকবিতা। বিচিত্র বিষয়ের সন্ধান করেও শেষপর্যন্ত তিনি আশ্রয় করেছেন ভালবাসাকে- লিখেছেন, ‘আবার এসেছি, প্রেমের কবিতা, এই তো তোমার সামনেই’। কবিতাসমগ্রের এই প্রথম খণ্ডে পাওয়া যাবে পিনাকীর প্রথম সাতটি কবিতার বই, বই থেকে বইয়ে পালটে যাওয়া তাঁর কবিতার উত্তরণ।