সাতটি ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে গল্পগ্রন্থ ছায়াবৃক্ষ। প্রতিটি গল্পে উঠে এসেছে বাস্তব জীবনের চিত্র। বৃদ্ধজীবনের ভার বহনে যে কতটা দহন তারই পরিস্ফুটন ঘটেছে তমিজুদ্দীনের চলমান জীবনপ্রবাহে। বৃদ্ধের ভার কেউ বহন করে না, এমনকি সন্তানও না।
নারী তার চাচা, মামা, খালু কারো কাছেই নিরাপদ নয়। সুযোগ পেলেই হায়নার চোখের দৃষ্টি লেহন করে নারীর মুখ, ঠোঁট, বুক। অজান্তেই দুষ্টের হাত চলে যায় স্পর্শকাতর জায়গায়। গৌরীসেন তার ডায়েরিতে সতর্ক করেছেন আগামী প্রজন্মের নারীকে। গল্পগুলোতে উঠে এসেছে নারীর মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ানোর কাহিনি।
গোপীবাগে ভগ্নপ্রায় জমিদার বাড়ির ছাদের উপরে সন্ধ্যার আলো-আঁধারিতে কার যেন শাড়ির আঁচল ওড়ে, প্রায়ই শুনতে পাওয়া যায় অশরীরী আত্মার করুণ ক্রন্দন কিংবা অট্টহাসি। প্রেতাত্মার সেই রহস্য আজও উন্মোচিত হয়নি।
নয়নে টলমল জল নিয়ে এগিয়ে যায় অনুু, আগামীতে আশা-ভরসার দিনগুজরান করবে বলে। হেরে যেতে শেখেনি সে। তাই শত বাধা উপেক্ষা করে দৃঢ় পায়ে এগিয়ে যায়। পাঠকের হৃদয় ছুঁতে পারবে প্রতিটি গল্প এই প্রত্যাশা।