বলতে গেলে পথ হারিয়ে অপু আর শিপলু তখন তামাবিলে। সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্তে যে ডাকবাংলো, সেখানেই আপাতত ওরা আস্তানা গাড়ে। এপারে তামাবিল, পর্যটন প্লেস জাফলং। আর ওপারে ভারত, পিয়াইন নদীর কূলে ডাউকি এলাকা। জমজমাট ব্যবসা এখানে, কিন্তু বিজনেসের আড়ালে অন্যকিছুও চলে শোনা যায়। মানে চোরাকারবার। হঠাৎ খুন হয় ভারতীয় ব্যবসায়ী রণেশ মোদক। খুনের তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই প্রণব। সেই সাথে জুড়ে যায় আরো তিনটি নাম-কাজল, অপু আর শিপলু। ওদের কেয়ারটেকার ফজর আলী সহসাই একটা নাম মুখে আনে, লেবু মিঞা। ভাতিজা নহর খাঁ ওদের জন্য ঠোঙায় ভরে মিষ্টি পাঠায়। কিন্তু কেন, ওদের জন্য তার দরদ হঠাৎ উথলে ওঠে কেন! খুনের তদন্ত চলমান। ডাউকির এপারে গগন সিরিষের জঙ্গলে রক্তের দাগ দেখে আঁতকে ওঠে ওরা। তিন খুদে গোয়েন্দা একের পর এক বিপদের মুখোমুখি হয়। ভিকটিমের পোশাকে নাকি কাঁচা সুপারির দাগ ছিল! অথচ তিনি কোনোকালেই সুপারির কারবার করতেন না। কেসটা তাহলে কী দাঁড়ালো? জানতে পড়ুন গা শিউরানো অ্যাডভেঞ্চার ‘তামাবিলে ডামাডোল’।