সাড়ে বাইশশো বছর আগে মহামতি অশোক ন’জন অজ্ঞাত পণ্ডিতকে নিয়ে ন’টি বিভিন্ন বিষয়ে সর্বোত্তম জ্ঞানের চর্চার জন্য একটি গুপ্তসংঘ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। অনেকে বিশ্বাস করেন এই গুপ্ত সংঘটি আছে আজও। এই সূত্রকে ভিত্তি করে সাহিল তৈরি করে একটি হিন্দি সিনেমার চিত্রনাট্য। প্রোডিউসার রোশন মেহেতার সেটি পছন্দ না হওয়ায় আরও তথ্যের সন্ধানে সাহিল উত্তর কলকাতায় ঐতিহাসিক অমরেন্দ্রনাথ সিকদারের কাছে আসে। ‘প্রজ্ঞাসূত্র’ উপন্যাসে সমান্তরাল দু’টি গল্প। প্রথম গল্পটি সাহিলের থ্রিলারধর্মী চিত্রনাট্য। যেখানে সাড়ে বাইশশো বছর আগের গুপ্ত সংঘের একের পর এক রহস্য উন্মোচনে সম্বুদ্ধ, রুচির প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠেন তিন প্রৌঢ় পৃথ্বীশ মিত্র, বিশ্বনাথ কর্মকার ও অচিন্ত্য বৈদ্য। অন্য গল্পে সাহিল যখন এই থ্রিলারটি একটু একটু করে অমরেন্দ্রনাথ সিকদারকে শোনায় বর্ণালী, কিঙ্কি পাল্টাতে থাকে চিত্রনাট্যর গতিপথ। টানটান এই উপন্যাসে শেষপর্যন্ত আরেক রহস্যের উন্মোচন।