কবি নজরুলের এই কথাটা মিথ্যে নয়। মুসলিমদের অসংখ্য যুদ্ধ ও সভ্যতা-সংগ্রামে নারীদের ব্যাপকহারে অংশগ্রহণ ছিলো। ইতিহাসের পাতায় পাতায় আজও তা স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। মূলত ইতিহাস বেখবর বলে সবসময় আমরাই নারীকে দুর্বল ভেবে এসেছি, এবং সে দুর্বলতার দায়ভার নারীর উপর চাপিয়ে সমাজ-সংগ্রাম ও বিপ্লবের ইশতেহার থেকে নারীকে দূরে রাখতে চেয়েছি! কিন্তু বাস্তবতা আসলে কি ঠিক তাই? অতীতের দিনগুলি কিন্তু এরকম কথা বলে না! সেখানে ইসলামের ইতিহাসে মুসলিম নারীদের অবদান অনস্বীকার্য বলে স্বীকার করা হয়েছে।
.
পুরুষদের পাশাপাশি আমাদের পূর্বসূরি নারীরাও রেখে গেছেন অকৃত্রিম খেদমত। প্রিয়তম রাসুলের প্রতি, ইসলামের প্রতি তাদের ভালোবাসা, আত্মত্যাগ অতুলনীয়। এছাড়াও পরিপূর্ণ পর্দা করে জ্ঞানচর্চা, ইবাদত-বন্দেগি, আধ্যাত্মিক চর্চা, ফাতওয়া প্রদানসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও তাদের অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে আছে। দুঃখের বিষয় হচ্ছে, তাদের এই দীপ্তিময় জীবন সম্পর্কে আমাদের মা-বোনদের অনেকেই কিছু জানেন না; এটা আমাদের জন্য অনেক বড় লজ্জার বিষয়।
.
বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে ঠিক এইসব মরণজয়ী নারীদের ইতিহাসই তুলে ধরা হয়েছে—যারা ইসলামের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছিলেন, পাড়ি দিয়েছিলেন রক্তনদী। আমাদের নারীদেরকে তাদের পূর্বকালীন নারীদের বীরত্বগাথার সোনালি অধ্যায়ের কথা স্মরণ দেয়া খুবই জরুরি। নয়তো আমাদের নারীদের বিজয়গাথা ও সংগ্রামের ইতিহাসকে অস্বীকার করার মতোই ব্যাপার হবে এবং এর দায়ভার আমাদের চুকাতে আজ যেমন চুকাতে হচ্ছে, চুকাতে হবে জীবনের নানা অঙ্গনে।
.
ইতিহাসের সোনালি সময়ের বীর মুসলিম নারীদের জীবনগল্প জানতে অসাধারণ এই বইটি সংগ্রহ করুন।