জুপিটার এখন দৌড় শুরু করল। নইলে বিপদ। আকাশে হঠাৎ করেই মেঘ জমতে শুরু করেছে। অথচ পাঁচ মিনিট আগেও চড়চড়ে রোদ ছিল। এতক্ষণ ফাটা ফাটা তুলোর মতো উড়ে বেড়াচ্ছিল মেঘ। সাদা মেঘ এখন প্রায় দেখাই যায় না। এই মেঘগুলোর রংও ছিল হালকা ছাই ছাই। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই এই ছাই রং হয়ে গেছে ঘোর কালো। আর যেন দাওয়াত দিয়ে টেনে এনেছে আরো ছেঁড়াফাটা মেঘ। সব এখন একসাথে লাগালাগি করে ছেয়ে আসছে আকাশে। ক্লাব মাঠটায় ও পৌঁছে যাবে আর দু মিনিটের মধ্যেই। কিন্তু এর মধ্যেই যদি বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়! পলিমারের কভারহলটা আনতে ভুলে গেছে ও। দু পাশের বাড়িগুলোর জানালায় বা বারান্দায় যারা দাঁড়িয়েছিল তারা অবাক হয়ে দেখছে জুপিটারের দৌড়। যেকোনো মুহূর্তে বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। ছেলেটা কি পাগল! এদের মধ্যে অনেকেই জুপিটারকে চেনে। বারিধারার এ পাড়ায় জুপিটারকে অপছন্দ করে এমন লোক বোধহয় পাওয়া যাবে না। বিপদে-আপদে আরাফাত সাহেবের এই ছেলেটাকে সব সময় পাশে পাওয়া যায়।