সকল বই

খাওয়ার জন্য বাঁচি, না-বাঁচার জন্য খাই

খাওয়ার জন্য বাঁচি, না-বাঁচার জন্য খাই

Author: ডা. সজল আশফাক
Delivery Time: 3-7 Days , Cash on Delivery Available
  • বই উপহারঃ বই উপহারঃ
    বিস্তারিত
  • বই উপহার.. বই উপহার..
    বিস্তারিত
  • কম্বো অফারঃ কম্বো অফারঃ
    বিস্তারিত
  • কম্বো অফার.. কম্বো অফার..
    বিস্তারিত
  • ফ্রি ডেলিভারিঃ ফ্রি ডেলিভারিঃ
    বিস্তারিত
Price: ৳400.00 ৳ 336.00 (16.00 % off)
Available Stock
+ Add to Wishlist
Publisher কথা প্রকাশ
ISBN984 70120 0622 1
Edition2018 Feb 01
Pages360
Reading Level General Reading
Language Bangla
PrintedBangladesh
Format Hardbound
Category প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক
Return Policy

7 Days Happy Return

বাঁচার জন্য খেতে হবে সেটাই স্বাভাবিক।  যে কোনো খাবার গ্রহণের সময় খাবারের রূপ-গন্ধ-রস আমাদেরকে আকর্ষণ করে, দেয় বাড়তি স্বাদ।  স্বাদ আস্বাদন করতে গিয়ে অনেক সময়ই আমরা ভুলে যাই পরিমিতিবোধ।  এভাবেই বিশেষ কিছু খাবার হয়ে ওঠে প্রিয় খাবার।  বিশেষ কিছু খাবারের প্রতি বাড়তি আকর্ষণ মানেই বাড়তি খাবার গ্রহণ।  ফলশ্রুতি যা হবার তাই হয়, ঝুঁকির মধ্যে পতিত হয় আমাদের দেহঘড়ি।  কিন্তু ঝুঁকির কথা ভেবেও অকারণ বাড়তি প্রিয় খাবার গ্রহণ থেমে থাকে না।  এভাবেই একসময় বিষয়টা এমন হয়ে দাঁড়ায় যেন, খাওয়ার জন্যই বুঝি এই বেঁচে থাকা।  কিন্তু আসলে কী বিষয়টি তাই হওয়া উচিত? নিশ্চয়ই না।  মানুষ খাওয়ার জন্য বাঁচে না, বাঁচার জন্যই খায়।  আর সুস্থভাবে বাঁচার জন্য খেতে হবে জেনেশুনে।  প্রিয় খাবারটি হতে হবে সার্বিক বিচারে স্বাস্থ্যকর।  আর যদি খাওয়ার জন্যই হয় এই বেঁচে থাকা, তাহলে পরিণামে একসময় অস্বাস্থ্যকর প্রিয় খাবারই বয়ে আনবে অপ্রিয় খবর, দেহঘড়িতে হবে ছন্দপতন।

Authors:
ডা. সজল আশফাক

ডা. সজল আশফাক।  জন্ম ১৯৬৩, ১ ডিসেম্বর, বরিশাল জেলায়।  পড়াশোনা করেছেন বৃহত্তর ময়মনসিংহে।  ১৯৭৯ সালে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব কে. বি. হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং ১৯৮১ সালে ময়মনসিংহ থেকে এইচএসসি পাস করার পর ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ থেকে ১৯৯০ সালে এমবিবিএস পাস করেন।  পরবর্তীতে বিএসএমএমইউ (সাবেক পিজি হাসপাতাল) থেকে নাক-কান-গলা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা ডিগ্রি এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন।
’৮০-র দশকের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ সজল আশফাক-এর লেখালেখি জীবনের শুরু ছড়া ও কবিতা দিয়েই।  তাঁর প্রথম ছড়া গ্রন্থ ‘লেজটি তুলে দৌড়’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে।  প্রথম কবিতার প্রকাশনা ‘প্রেমাঙ্গ পাখি’ বের হয় ১৯৯৮ সালে।  ছড়া-কবিতার পাশাপাশি নিয়মিত সায়েন্স ফিকশনও লিখেছেন, তাঁর প্রথম সায়েন্স ফিকশন গ্রন্থ ‘ছায়াজীব’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৮ সালে। 
তার আগে ১৯৮৭ ও ’৮৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রবর্তিত পাবলিক লাইব্রেরি আয়োজিত একুশে সাহিত্য পুরস্কারে কবিতায় শীর্ষস্থান অধিকার করেন।  ’৯০-র দশক থেকেই স্বাস্থ্যবিষয়ক কলাম ও নিবন্ধ রচনায় বিশেষ পারদর্শিতার স্বাক্ষর রেখে আসছেন। দৈনিক জনকণ্ঠ প্রবর্তিত দেশে প্রথম স্বাস্থ্য বিভাগের সম্পাদনার দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে সংবাদপত্র জগতে প্রবেশ করেন ডা. সজল আশফাক।  তারপর কাজ করেছেন দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও ম্যাগাজিনে।
বর্তমানে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নাক-কান-গলা রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি মূলত স্বাস্থ্যবিষয়ক লেখালেখিসহ টিভিতে অনুষ্ঠান উপস্থাপনা নিয়েই ব্যস্ত।  স্বাস্থ্যবিষয়ক লেখালেখিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৯ সালে পেয়েছেন আনোয়ারা-নূর পুরস্কার।  বেশ কিছু চিকিৎসা তথ্যচিত্র নির্মাণেও দক্ষতা দেখিয়েছেন তিনি। এছাড়া স্বাস্থ্য বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিভাগে ‘ভুল জানো, ভুল মানো’ বইয়ের জন্য ১৪১৫ বাংলা সালের অগ্রণী ব্যাংক বাংলাদেশ শিশু একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন।  স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ে এ পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৪০।

0 review for খাওয়ার জন্য বাঁচি, না-বাঁচার জন্য খাই

Add a review

Your rating