এরোপ্লেন বা বিমান এবং এয়ারপোর্ট বা বিমানবন্দর নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহলের অন্ত নেই। বিমান ও বিমানবন্দরকে ঘিরে যে-নিরাপত্তার সুদীর্ঘ বলয়, তাকে নিয়ে তৈরি হয় নানা গল্প, নানা রহস্য, নানা কাহিনি। এশিয়ার অন্যতম বিমানবন্দর দমদমও এর ব্যতিক্রম নয়। দমদমের অন্তর্দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গৌরবময় দিনগুলিতে এখানে প্রতিষ্ঠিত খবরের কাগজের সাংবাদিক হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন এই গ্রন্থের লেখক। অর্ধশতাব্দীর অধিক সময় জুড়ে তাঁর কর্মজীবন এখানে অতিবাহিত হয়েছে। বিমান বন্দরের জগৎ এক অন্য জগৎ। দমদম দিয়ে যাতায়াত করেছেন বিশ্বের বহু সম্মানিত, নামী-দামি মানুষ, আর অসংখ্য সাধারণ নাগরিক। খুব কাছ থেকে সবাইকে দেখেছেন সাংবাদিক-লেখক। শ্রেষ্ঠ মানুষদের সান্নিধ্য পেয়েছেন সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, অনামা-অচেনা মানুষদের কোনও ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন। সেইসব অভিজ্ঞতা ও সঞ্চয় অবলম্বন করে তিনি লিখেছেন অভিনব এই বই ‘উড়ো খবর’। প্রতিটি উড়ান যে-খবর দিয়ে যায়, রেখে যায়, ছড়িয়ে যায় কিংবা নিয়ে যায়, সেগুলিকে স্মৃতি থেকে তুলে এনে সাজিয়ে দিয়েছেন লেখক। আকাশপথের এইসব উড়ো খবর রম্যরচনার স্বাদে পূর্ণ, আবার হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের বিরল উদ্ধার।