সকল বই

কাকে বলে নাট্যকলা

কাকে বলে নাট্যকলা

Author: শম্ভু মিত্র
Delivery Time: 25-45 Days , Cash on Delivery Available
  • বই উপহারঃ বই উপহারঃ
    বিস্তারিত
  • বই উপহার.. বই উপহার..
    বিস্তারিত
  • কম্বো অফারঃ কম্বো অফারঃ
    বিস্তারিত
  • কম্বো অফার.. কম্বো অফার..
    বিস্তারিত
  • ফ্রি ডেলিভারিঃ ফ্রি ডেলিভারিঃ
    বিস্তারিত
Price: ৳ 437.00
+ Add to Wishlist
Publisher আনন্দ পাবলিশার্স
ISBN9788172150501
Pages58
Reading Level General Reading
Language Bangla
PrintedIndia
Format Hardbound
Category নাটক চলচিত্র-নাটক-সংগীত
Return Policy

7 Days Happy Return

কাব্য, সাহিত্য, চিত্র, নৃত্য ইত্যাদি যেভাবে স্বীকৃত কলা, নাট্যকলাকেও কি সেই একইভাবে চিহ্নিত করা যায়? একজন কবি কিংবা কথাকার, চিত্রকর অথবা নৃত্যশিল্পী যা-কিছু সৃষ্টি করেন, তা অন্যনির্ভর নয়। তাঁদের সৃষ্টি মুখ্যত একক প্রয়াস এবং স্রষ্টা সরাসরি তা পৌঁছে দিতে পারেন পাঠক কি দর্শকের কাছে। কিন্তু নাট্যকার ক্ষেত্রে সে-সুযোগ নেই। এখানে নাটক চাই, চাই অভিনেতা-অভিনেত্রী, চাই মঞ্চসজ্জা, দরকার হতে পারে সংগীতেরও। যেখানে এত-কিছুর সম্মিলনে তৈরি হয় নাট্যকলা, সেখানে এ-প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে, এই কলার প্রকৃত স্রষ্টা তাহলে কে? সৃষ্টিটাই বা ঠিক কোন্‌খানে? এমনই কিছু জরুরি এবং অনিবার্য প্রশ্ন তুলে একটু-একটু করে নাট্যকলার একেবারে ভিতরমহলে আমাদের পৌছে দিয়েছেন একালের অন্যতম—সম্ভবত প্রবলতম—নাট্য- ব্যক্তিত্ব শম্ভু মিত্র। নাট্যাভিনয়ের ক্ষেত্রে নাটক কতটা নাট্যকলার অংশ, আবার অভিনয়ও কীভাবে নাট্যকলার অবিচ্ছেদ্য অংশ তা যেমন দেখিয়েছেন তিনি, একইসঙ্গে দেখিয়েছেন নাটকে যতটুকু লেখা থাকে তাকে কীভাবে ছাপিয়ে যায় নাট্যকলা। দেখিয়েছেন, কীভাবে নাট্যকলা হয়ে ওঠে অনুভবের সেই অনন্য সঞ্চার, যা অন্য কোনওভাবেই ব্যক্ত করতে পারে না নাটকের অন্তর্লীন ভাব ও সৌন্দর্যকে। লিখিত সংলাপ কীভাবে হয়ে ওঠে জীবন্ত কথোপকথন, চিরায়ত নাটকের সংলাপকে সমকালীন বাস্তবতার তথা দৈনন্দিন কথাবার্তার ছাঁচে কীভাবে ঢালাই করে নেন সার্থক অভিনেতা, মঞ্চসজ্জা ও সঙ্গীতের ভূমিকা নাট্যকলায় কী ও কতখানি, ভালো নাটকের ভালো অভিনয় কখন আর কীভাবে, মহলার মূল তাৎপর্য কী, নির্দেশকের ভূমিকা কী—এমন-সব প্রসঙ্গও ক্রমশ এসেছে তাঁর এই সর্বাত্মক আলোচনায়। আলোচনা বলতে অবশ্য তত্ত্ব আর তথ্যের কণ্টকিত এক সমাহার অনেক সময় যেমন চোখে ভাসে আমাদের, এ-গ্রন্থের কোথাও তার সামান্যতম ছায়া খুঁজে পাবেন না পাঠক। তার প্রথম কারণ, এমন-একজন মানুষ নাট্যকলা বিষয়ে বলেছেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যক্ষ চর্চায় এবং অধ্যয়নে বিষয়টি যাঁর করতলগত আমলকী। আরেকটি পরোক্ষ কারণ এই যে, এই আলোচনাটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ভাষণমালায় মুখে-মুখে বলে গিয়েছিলেন তিনি। সেই মৌখিক ভাষণেরই অবিকল প্রতিমুদ্রণ এই গ্রন্থ। নাটক বিষয়ে যাঁরাই সামান্যতম কৌতূহলী তাঁদের প্রত্যেকের অবশ্য সংগ্রহযোগ্য এই বই।

Authors:
শম্ভু মিত্র

শম্ভু মিত্র-র জন্ম ১৯১৫ কলকাতার ভবানীপুরে সাধারণ এক বাড়িতে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় নাট্যে তাঁর passion বাল্যকাল থেকে। স্কুলে পড়বার সময় থেকেই আবৃত্তিতে বা নাট্যাভিনয়ে অসীম আগ্রহ। একেই বোধহয় তিনি ঠাট্টা করে বলতেন ‘গ্রহের ফের’! আর তারই সঙ্গে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই যেন নানা বিষয়ে জানবার অস্বাভাবিক কৌতূহল। তা না হলে ১৯/২০ বছর বয়সে ফ্রয়েড পড়ে ফেলবেন কেন? পিতা অবসর নেবার পরে লক্ষ্মৌ, এলাহাবাদ চলে গেলেন, পুত্রও গেলেন। পিতার অনুমতি নিয়ে ফিরে এলেন কলকাতায়।-তারপরে থিয়েটর। সাধারণ রঙ্গালয়ের অভিজ্ঞতা, মহর্ষি মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যের সঙ্গে হৃদ্যতা, শিশিরকুমার ভাদুড়ির নৈকট্য— আর তারই সঙ্গে সঙ্গে নানা বিষয়ে পড়াশোনা। থিয়েটরকে জানবার অদম্য আগ্রহে নাটক বা নাট্যসম্পর্কিত বই তো বটেই, তার সঙ্গে বিজ্ঞানসম্পর্কিত বইও। আর কবিতা পড়া, আবৃত্তি করা— সঞ্চয়িতা প্রায় মুখস্থ। তারই সঙ্গে শরীর তৈরি করবার জন্যে নানা ধরনের ব্যায়াম। এ সব থিয়েটরের জন্যেই। তাইজন্যেই তো শেষ জীবনে, আশি বছর বয়সে, বলতে পেরেছিলেন, ‘আমি যা কিছু করেছি, যা কিছু পড়েছি, যা কিছু ভেবেছি সব থিয়েটারের জন্যই’। ১৯৮৫ সালে তাঁর শেষ মঞ্চাবতরণ। তারপরেও আবৃত্তি করেছেন, নাট্যপাঠ করেছেন। আর পেয়েছেন সাধারণ দর্শকের অঢেল ভালোবাসা- যার কাছে সংগীত-নাটক আকাদেমি পুরস্কার, বা ফেলো হওয়া, পদ্মভূষণ, ম্যাগসায়সায় পুরস্কার, দেশিকোত্তম পুরস্কার, নানা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্মানিক ডক্টরেট প্রাপ্তি সবই যেন তুচ্ছ হয়ে যায়। তাই তো তাঁর শেষ ইচ্ছাপত্রে তিনি সেই অগণিত দর্শককে শ্রদ্ধা জানিয়ে গিয়েছিলেন। প্রয়াণ: ১৯৯৭।

0 review for কাকে বলে নাট্যকলা

Add a review

Your rating