স্বপ্নচারী মেয়ে কঙ্কা। স্বপ্ন গাঁথার কথা বলে আপন মনে নিজের সাথে, আকাশের সাথে। কেননা আকাশকেই খুব কাছের আর বিশ্বস্ত বন্ধু মনে হয়। একসময় বাস্তবতার আগ্রাসী ছোবলে তার স্বপ্নের দুয়ার ভেঙে যায়। কঙ্কার মনের দুয়ারে কড়া নাড়ে মায়ের না পাওয়া স্বপ্ন। দুঃখ কষ্ট ভোলাতে শক্ত হাতে জড়িয়ে ধরে মাকে। নীলঞ্জনা যেন সমস্ত বিরুদ্ধ শক্তির বিপরীতে বয়ে চলা এক নদী। নদী যেমন সাগরের সাথে মিলন ঘটায়, সেও তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাবেই। একে একে সবাইকে হারিয়ে নীলাঞ্জনা অশত্থ ছায়া হয় সেতুর কাছে, তাও বিলীন।
হাসানের চাই নিত্যনতুন জবা, বেলি, জুঁই চামেলি। তারই হাত ধরে ঘরে আসে শীলা। ভেবেছিল সুখের নহরে ভাসাবে ভেলা। কিন্তু বিধি বাম। কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না। তাই নীরার হাত ধরে অসীম আকাশের লয়ে ঠিকানা খোঁজে।
কিশোর বয়সের ভুলের মাসুল দিতে কালাচান পালিয়ে বেড়ায় সেজুতির কাছ থেকে, কিন্তু পরিত্রাণ পায় না সেজুতির হাত থেকে। মধ্য গগনে আবার দেখা দুজনের।
নষ্ট সময়ের প্রভাব পড়ে নাবিলের কিশোর বয়সে। তার ইগো, তার ইমোশনকে গ্রাস করে ধেয়ে আসা অস্থির সময়। একসময়ে তার ভুল বুঝতে পেরে ফিরে আসে মায়ের কোলে।
প্রতিটি গল্পে আছে নারীর স্বপ্ন জয়ের দুঃসহ জীবনের কথা।